Ad Code

Latest

6/recent/ticker-posts

ডিম দিবসে ডিমের উপকারিতা জানুন


একটি ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন, ৫ গ্রাম উন্নত ফ্যাটি এসিড, ৭০-৭৭ কিলোক্যালরি শক্তি, ১০০-১৪০ মিলিগ্রাম কোলিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপকরণ থাকে। এছাড়াও ডিমে থাকা লিউটিন ও জেক্সানথিন চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ডিমে থাকা ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এছাড়া ডিমের কুসুমে বিদ্যমান এন্টিবডিসমূহ ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল রোগ প্রতিরোধ করে
দেশের অল্প আয়ের মানুষের জন্য আমিষের সহজলভ্য উৎস ডিম। ডিমকে বলা হয় পরিপূর্ণ খাদ্য। সারা পৃথিবীতে মাত্র কয়েকটি খাদ্যকে সুপার ফুড হিসেবে আখ্যা দেওয়া হঢেছে এর মধ্যে ডিম অন্যতম। গত এক দশকে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণ।

মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ডিম উৎপাদিত হয়েছে ৭ কোটি ৬১ লাখ ৭৪ হাজার। ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে ডিম উৎপাদিত হয়েছে ২৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩৫ হাজার। এক দশকে বছরে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে ১৫ কোটি ৭৩ লাখ ০৬ হাজার। অর্থাৎ এক দশকে ডিমের উৎপাদন বেড়েছে তিন গুণ।

পুষ্টিবিদরা জানান, একটি ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন, ৫ গ্রাম উন্নত ফ্যাটি এসিড, ৭০-৭৭ কিলোক্যালরি শক্তি, ১০০-১৪০ মিলিগ্রাম কোলিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপকরণ থাকে। এছাড়াও ডিমে থাকা লিউটিন ও জেক্সানথিন চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ডিমে থাকা ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। এছাড়া ডিমের কুসুমে বিদ্যমান এন্টিবডিসমূহ ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল রোগ প্রতিরোধ করে।
 
 

ডিমের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় ও এর পুষ্টিমান শিশুদের মেধা বিকাশে সহায়তা করে। ডিম গর্ভবতীদের পুষ্টি নিশ্চিত করে ও ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধ করে, নিয়মিত ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া ডিমে প্রাপ্ত ভিটামিন-এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, ডিম ওজন কমাতে সহায়ক এবং ডিম টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।


আজ ১৪ অক্টোবর। বিশ্ব ডিম দিবস। ‘প্রতিদিন একটি ডিম, পুষ্টিময় সারাদিন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ দিবস পালন করা হবে।


১৯৯৬ সালে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক এগ কমিশনের কনফারেন্সে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার বিশ্ব ডিম দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Post a Comment

0 Comments